This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৫

ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশের চেয়ে ভালো জায়গা নেই: সাঙ্গাকারা

Kumar Sangakkara said about Bangladesh cricket BPL 2015

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৫

‎BPL Review Sylhet Super Stars vs Rangpur Riders

১/ মুশফিককে কি বলব!! দুইটা ম্যাচ সে নন স্ট্রাইকিং এন্ডে দাঁড়ায় দাঁড়ায় দলের হার দেখলো! squint emoticon পুরোইনিজের দোষে বলব। প্রথম ম্যাচে শেষ ওভারের প্রথম বলে রান নিয়ে টেল এন্ডারকে এক্সপোজ করে দিয়েছে পুরো ওভারের জন্য। আজ শেষ দুই ওভারে সে স্ট্রাইকই নিলো না। এমন একটা চেজে এমন দায়িত্বশীলঅভিজ্ঞ খেলোয়ার কিভাবে ৯, ১০, ১১ নাম্বার ব্যাটসম্যানকে পুরো ২ ওভার স্ট্রাইক দিয়ে রাখে মাথাতেই আসে না। সেকেন্ড লাস্ট ওভারের শেষ বলে কোন যুক্তিতে কোন মাথায় সিঙ্গেল নিলো আল্লাহই জানে! squint emoticon পুরোই ব্রেইনলেস ক্রিকেট!

২/ সাকিব আজ খুব ভালো ক্যাপ্টেন্সি করেছে। খেলার দিক থেকে সে সবসময়েই সেরা। পিচ স্লো বলে ব্যাটিংয়ের সময় মূলত সিঙ্গেলের উপর থেকে দলের রান ধরে রেখেছে। বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়েছে। এমনকি ক্যাপ্টেন্সিতেও বোলিং-ফিল্ডিং এ নিয়মিত ইফেক্টিভ চেঞ্জ এনেছে। দুই অধিনায়কের মানসিকতার পার্থক্য ম্যাচটায় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।  

৩/ কিন্তু কিন্তু কিন্তু, সাকিব মাঠে অনেক মেধাবী হলেও মাঝে মাঝে ওর ব্যবহার দেখে চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা করে। বিসিবি সম্ভবত তাকে ব্যান করবে অথবা ভালোরকম জরিমানা করবে। অনেস্টলি, করাই উচিত! frown emoticon আমি সাকিবকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করি সবসময়। হয়তো তার ঘুম হচ্ছে না, অসুস্থ। এজন্যে মেজাজ ঠিক রাখতে পারছে না। কিন্তু আজ আম্পায়ারের সাথে সে যেই ব্যবহার করেছে সেটা কোন অবস্থাতেই তার কাছ থেকে কখনোই আশা করা যায় না। চরম হতাশাজনক।

৪/ আজও শহীদকে বেশ ভালো লেগেছে। শহীদকে আমরা শুধুমাত্র টেস্ট বোলার হিসেবে ট্রিট করতাম। কিন্তু টিটুয়েন্টিতে যে জায়গামতো ক্রমাগত বল করে যাওয়া কী অমূল্য ব্যাপার সেটা সে প্রতি ম্যাচেই বুঝাচ্ছে। আজও ৪ উইকেট নিলো। বাংলাদেশ জাতীয় দলে যেকোন কম্বিনেশনেই সেরা তিন পেসার কারা হবে সেটা চুজ করতে নির্বাচক কমিটির ঘাম বের হয়ে যাবার কথা। গুড ফর বাংলাদেশ ক্রিকেট!

৫/ প্রথম ম্যাচ শেষেই আবু জায়েদের কথা বলেছিলাম। এই ছেলেটাও বেশ ভালো বল করছে। সাকিবের উচিত ওকে আরও বেশি ব্যবহার করা। তবে শেষ ওভারের আগে যেভাবে সাকিব, স্যামি, পেরেরা মিলে ছেলেটাকে সাহস দিয়ে গেলো সেটা অবশ্যই দেখার মতো ব্যাপার! আল আমিনকে কেন রংপুর সুযোগ দিচ্ছে না বুঝতে পারছি না। ছেলেটার প্রস্পেক্ট বেশ ভালো। দেশি প্লেয়ারদের সুযোগ বেশি দেয়া উচিত।

৬/ সিলেটের মিডল অর্ডারটা প্রতি ম্যাচেই শুধুমাত্র মুশির উপর নির্ভরশীল। এখানে ওদের অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রত্যেকটা ম্যাচই শেষ মুহূর্তের ব্যাড লাক সিলেটের জন্য। তবে কেন যেন মনে হচ্ছে, এরা একবার উইনিং স্ট্রাইক শুরু করলে হারবে না আর। ব্রেকটা জরুরি।

লিখেছেন- Sheikh Minhaj Hossain
২৬ নভেম্বর ২০১৫ ।। 5:39pm

বিশ্বকাপ থেকে সাউথ আফ্রিকা এ পর্যন্ত যতবার যেভাবে ছিটকে পড়েছ‍

* ১৯৯২ বিশ্বকাপ: 
সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে
পরাজিত, 
* ১৯৯৬ বিশ্বকাপ:
কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের
কাছে পরাজিত,
* ১৯৯৯ বিশ্বকাপ:
সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে
পরাজিত,
* ২০০৩ বিশ্বকাপ:
প্রথম রাউন্ডের বাঁধাই পেরোতে পারেনি,
আর তাছাড়া সে বছর শ্রীলঙ্কার সাথে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ১ রানের ভুল বুঝাবুঝিতে ম্যাচ হেরে যায়, এবং এ কারনেই বাদ পড়ো যায় গ্রুপ পর্ব থেকেই,
* ২০০৭ বিশ্বকাপ:
সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত,
* ২০১১ বিশ্বকাপ:
কোয়ার্টার ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজিত,
*২০১৫ বিশ্বকাপ:
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে অপ্রত্যাশিত হার, মনে পড়লেই চোখে পানি আসে,

সাকিব কাহিনী

গতকাল থেকেই অনলাইন পাড়া সাকিব আল হাসানের ব্যাপার টা নিয়ে মাতোয়ারা, এক পক্ষ সঠিক বলছে ত অন্যপক্ষ ভূল বলছে। তবে আমি বলবো, একজন আইকন, তরুন ক্রিকেটারদের আইডল হিসেবে ভাইয়ার কাজ টি ঠিক হয় নি। তবে
এতে অনেকেই দেখছি বলছে সাকিব বেয়াদ্দব, ও অহংকারি কিংবা
ভাইয়া কে সরাসরি গালাগাল দিচ্ছে। 
একবার চিন্তা করুন, প্রত্যেক টি ম্যাচেই আম্পায়ার বাজে সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, কিন্তু কোন বড় ক্রিকেটারই
প্রতিবাদ করছে না, সাকিব ভাই প্রথমে প্রতিবাদ করলো, হয়তো তিনি
ম্যাচশেষে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিবাদ জানাতে পারতেন, কিন্তু তা না করে টানা কয়েকদিনের টায়ার্ডনেস টা কাটিয়ে না ঊঠার ধরুন মাঠেই মেজাজ হারিয়ে
ফেললেন। বলতে গেলেই সাকিব আল
হাসানের দোষ এতটুকুই, তার প্রতিবাদ
জানানোর ধরন টা ভূল ছিলো কিন্তু প্রতিবাদ করা টা ভুল ছিলো না।
তবে, ম্যাচশেষে সাকিব আল হাসান ঠিকই শাস্তি পেয়েছে কিন্তু সেই আম্পায়ার কি শাস্তি পেয়েছে??
না সে শাস্তি পায় নি ফলে প্রতি ম্যাচেই হয়তো বা এরকম বাজে সিদ্ধান্তের শিকার হতে হবে ক্রিকেটার দের, আর ধরাছোঁয়ার
বাইরে থেকে যাবে এসব নির্বোধ আম্পায়ার রা। তাই আপনি সাকিব আল
হাসানের ভূল টা ধরিয়ে দিন, কিন্তু
গালি-গালাজ করার অধিকার আপনার নেই। তবে যদি বংশ-ধারায় পেয়ে থাকেন তবে ভিন্ন কথা smile emoticon
‪#‎bring_back_shakib‬
‪#‎SAH75‬


লিখেছেন- Mujhahid Islam Jahid
২৭ নভেম্বর ২০১৫
 

বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৫

রংপুরকে জেতালেন সাকিব

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫

অসম্ভবকে সম্ভব করাই মাশরাফির কাজ


‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই মাশরাফির কাজ’ এবারের বিপিএল শুরুর আগে কুমিল্লা দলের জার্সি উন্মোচনের দিন দলটির ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর চলচ্চিত্র পরিচালক ও নায়ক অনন্ত জলিল মাশরাফির মুখ থেকে বলা নিয়েছিলেন। মাশরাফির মুখে উচ্চারিত সেই বাক্যটি কাল যেন বাস্তবা রূপ লাভ করলো। গতকাল বিপিএলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি মাঠে নেমে হতে চেয়েছিলেন মারলন স্যামুয়েলসের সহযোগী। কিন্তু চিত্রনাট্য পাল্টে হয়ে গেলেন নায়ক। মঙ্গলবার বিপিএলে ব্যাট হাতে অসাধারণ এক ইনিংস খেলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৭ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন তিনি। নড়াইল এক্সপ্রেস; মাশরাফির মূল পরিচয়টা আসলে দুরন্ত পেস বোলার হিসেবে। তবে দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠতে পারেন; খেলতে পারেন ঝড়ো ইনিংস। মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে তেমনটাই করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সীমিত ফরম্যাটের অধিনায়ক। ব্যাট হাতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন ম্যাচ উইনার হিসেবে। চিটাগাং ভাইকিংসের বিপক্ষে মাত্র ৩২ বলে হার না মানা ৫৬ রান করে অধিনায়ক হিসেবে দলকে এনে দিয়েছেন পরম কাঙ্ক্ষিত এক জয়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে হার দিয়ে যাত্রা শুরু কুমিল্লার। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়টা তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণই ছিল। চিটাগাংয়ের বিপক্ষে সেই কাঙ্ক্ষিত জয় পেতে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ১৭৭ রান। মাত্র ২০ ওভারে (টোয়েন্টি২০ ক্রিকেট) বড়সড় এমন টার্গেট তাড়া করার গোড়াপত্তন করতে গিয়ে হতাশই করেছেন দলের দুই ওপেনার। মোহাম্মদ আমিরের পর পর দুই ওভারে ইমরুল কায়েস ও লিটন কুমার দাস ফিরেছেন সাজঘরে। লিটন ৯ রান করলেও ইমরুল রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তাই পরবর্তী দায়িত্বটা পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা মারলন স্যামুয়েলস ও শুভাগত হোমের ওপর। শুভাগত ১৬ বলে থেকে ৩০ রান করে দায়িত্বটা ঠিকমতো পালনের দিকেই এগোচ্ছিলেন। তবে পেসার শফিউলের বলে তিলকরত্নে দিলশান দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরে বিদায় করেন শুভাগতকে। এর পর স্যামুয়েলসের সঙ্গী হিসেবে মাঠে আগমন মাশরাফির; দলের ব্যাটিংঅর্ডার পরিবর্তন করে। মাঠে নেমে ৩২ বলে ৫৬ রানের জয়সূচক ইনিংসটি মাশরাফি সাজিয়েছেন ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায়। ম্যাচ শেষে এটিকেই নিজের সেরা ইনিংস বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে স্মরণ করেছেন শাহাদাত হোসেন রাজিবের সঙ্গে এক টেস্ট ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ফলোঅন এড়ানো নিজের একটি ইনিংসের কথাও। ব্যক্তিগত ইনিংস নিয়ে মাশরাফি বলেছেন, ‘আমি ফিনিশিংয়ের কথা কখনো ভাবিনি। এর আগে ক্লাব পর্যায়ে হাফসেঞ্চুরি করলেও এমনটা হয়নি। আজকেও ভাবিনি। কারণ, আমি সাধারণত শেষদিকে আউট হয়ে যাই। যেহেতু আমাদের ৩ উইকেট পড়ে গিয়েছিল, তাই স্যামুয়েলসকে সহায়তা করতে আগেই নেমেছিলাম। টার্গেট ছিল আমি নামলে যাতে ওদের বোলিং পরিকল্পনাটা একটু ওলট-পালট হয়ে যায়। হয়তো তখন আমিরকে দিয়ে বল করাবে। তাহলে শেষদিকে স্পিনাররা এলে রান তোলা সম্ভব হবে।’ 
২৫ নভেম্বর, ২০১৫@TrollcricketBangla

আল আমিনের তোপে বরিশালের রুদ্ধশ্বাস জয়


ব্যাটিংয়ের জন্য হাথুরুসিংহেকে মাশরাফির ধন্যবাদ


সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৫

সাকিবদের মাটিতে নামালেন মাহমুদউল্লাহ


১, ১, ১...। প্রথম তিন ব্যাটসম্যান যেভাবে মিছিল করে গেলেন, তাতে চতুর্থজনও যোগ দিলে কী বিপদই না হতো! এমনিতেই বরিশাল বুলস কম বিপদে পড়েনি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রানের বন্যা হওয়ার কথা, নদীবিধৌত বরিশাল দেখাল উইকেটের বন্যা। ৪ ওভারে ১৫ রানের মধ্যে নেই ৪ উইকেট! চার ওভারের ‘চার’-এর এই অভিশাপকে বরে রূপ দিলেন চারে নামা মাহমুদউল্লাহ। তাঁর ফিফটি, সঙ্গে লোয়ার মিডল অর্ডারের অবদানে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৫৫ রান করেছে বরিশাল।


শুধু ব্যাট হাতে উদ্ধার করেছেন বলেই নয়, গতকালের জয়টায় আক্ষরিক অর্থেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের ভূমিকায় ঠিক সময়ে ঠিক বোলারদের ব্যবহার করেছেন মিরপুরের শীত শীত ভেজা কন্ডিশনে। প্রথম ম্যাচে নাটকীয় জয় পাওয়া সাকিবের রংপুর রাইডার্স এদিন তাই জ্বলে উঠতে পারল না। ১৪২ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচটা হারল ১৩ রানে।


শুধু ফিফটিই নয়, মাহমুদউল্লাহর ইনিংসটার মাহাত্ম্য বাড়ছে অন্য কারণেও। ৪৩ বলে পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় খেলা ৫১ রানের ইনিংস শুরুর ওই ধাক্কা শুধু সামালই দেননি, পরের ৬৮ বলে উইকেট অক্ষত রাখার ব্যবস্থাও করেছেন নাদিফ চৌধুরীর সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়ে। এর ওপর ভিত্তি করেই শেষ ৩ ওভারে ৪৩ রান তুলে নিতে পেরেছে বরিশাল। অথচ প্রথম ১০ ওভারে তারা তুলতে পেরেছিল মোটে ৫৬।


শেষ ওভারগুলোতে এই ঝড় তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছে কেভন কুপারের ১৩ বলে ২১, সেকুগে প্রসন্নর ৪ বলে ১২, মোহাম্মদ সামির ৫ বলে ১৫ রানের ছোট্ট ঝড়গুলো। তবে ৩১ বলে ৩০ করা নাদিফকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। মাহমুদউল্লাহকে পঞ্চম উইকেটে তিনিই তো দিলেন যোগ্য সঙ্গ। প্রথম ম্যাচটা ব্যাটে-বলে ভালো না গেলেও গতকাল বল হাতে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। একই ওভারে আবার ফিরিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও নাদিফকে।

সাকিব অবশ্য এদিনও ব্যাট হাতে ব্যর্থ। করেছেন মাত্র ৬। ৩২ বলে ৫৫ করা মোহাম্মদ মিঠুনই রংপুরকে দেখাচ্ছিলেন পথ। কিন্তু বরিশালের মতো শেষের ওভারগুলোতে আর ঝড় তুলতে পারেনি রংপুর। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৫ রান। উল্টো ওই ওভারে তিনটি উইকেটসহ মেডেন নিয়েছেন কুপার। একটি লেগ বাই পেয়েছে বটে রংপুর, সঙ্গে রানআউট মিলিয়ে ওই ওভারেই উইকেট হারিয়েছে চারটি।


এবারের বিপিএলে প্রথম ৫ উইকেটের দেখা পেলেন কুপার। তবে ম্যাচের আসল নায়ক তিনি নন। রংপুরের ইনিংসটা শেষ হয়েছে মাহমুদউল্লাহর অসাধারণ এক ক্যাচে। এটাই দরকার ছিল। ম্যাচটাও যে মাহমুদউল্লাহময়!

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বরিশাল বুলস: ২০ ওভারে ১৫৫/৯ (শাহরিয়ার ১, রনি ১, টেলর ১, মাহমুদউল্লাহ ৫১, সাব্বির ১১, নাদিফ ৩০, প্রসন্ন ১২, কুপার ২১, সামি ১৫, তাইজুল ৭*, আল আমিন ২*; সাকিব ৩/২৩, পেরেরা ৩/২৯, সাকলাইন ১/৩৭, জায়েদ ০/৩৬, মুক্তার ০/১৬, স্যামি ০/১৩)।
রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৪২ (সিমন্স ১৯, সৌম্য ১৭, সাকিব ৬, মিসবাহ ১৯, মিঠুন ৫৫, পেরেরা ১৭, স্যামি ২, আল আমিন ৪, মুক্তার ০, সাকলাইন ০*, জায়েদ ০; সামি ২/৩৫, আল আমিন ০/৩৯, মাহমুদউল্লাহ ০/১৬, কুপার ৫/১৫, প্রসন্ন ১/২৪, তাইজুল ০/১১)।
ফল: বরিশাল ১৩ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কেভন কুপার।