মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এর আগে প্রোটিয়াদের সঙ্গে ছয় ম্যাচ খেলে একটিও জিততে
পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ২১ বছরের ওই অতৃপ্তি তারা কাল ঘুচিয়েছে ৩ উইকেটের
রোমাঞ্চকর জয়ে। তাতে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ৩-১-এ এগিয়ে যাওয়ায় সিরিজ জয়ও
নিশ্চিত হয়ে গেছে জর্জ বেইলির দলের। অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের অতৃপ্তি
মেটানো এ জয়ের নায়ক সেই স্টিভেন স্মিথ। ক্যানবেরার তৃতীয় ম্যাচে ৫৫ বলে ৭৩
রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পর কাল তিনি করেছেন ম্যাচ জেতানো ঝলমলে
সেঞ্চুরি। তাঁর অনবদ্য ইনিংসটাতে ভর করেই ৯৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও ৬ বল
ও ৩ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে স্বাগতিকরা।মেলবোর্নে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার মিশনে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে
হোঁচট খেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ৭৭ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর ডেভিড
মিলারকে নিয়ে শতরানের একটি পার্টনারশিপ গড়ে দলকে সঠিক কক্ষপথে ফেরান এবি ডি
ভিলিয়ার্স। মাত্র ৯ রানের জন্য তিন অঙ্কের জাদুকরী স্কোর ছোঁয়া হয়নি
প্রোটিয়া অধিনায়কের। ৪৩ ওভারের শেষ বলে প্যাট কামিন্স তাঁকে আউট করার পর শেষ ৭ ওভারে আর মাত্র ৩৭ রান নিতে পেরেছে তারা।জবাব দিতে নেমে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়াও। একপর্যায়ে ৯৮
রানে তারা হারায় পঞ্চম উইকেট। দলের ওই বিপর্যয়ে ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে
এক-দুই রানে ইনিংসের ইমারত গড়ে প্রায় হারতে বসা ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে জয়
এনে দিয়েছেন স্মিথ। ষষ্ঠ উইকেটে ম্যাথু ওয়েডের সঙ্গে ১২১ রান যোগ করার পর
জেমস ফকনারকে নিয়ে দলকে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে দিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। রবিন
পিটারসনের ঘূর্ণিতে তাঁর স্টাম্প উড়ে যাওয়ার সময় জয় থেকে মাত্র ১ রান দূরে
ছিল স্বাগতিকরা। পিটারসনের ডেলিভারিতে সেই রানটি এনে দিয়েছেন কামিন্স।
ক্রিকইনফো
দক্ষিণ আফ্রিকা : ৫০ ওভারে ২৬৭/৮ (ডি ভিলিয়ার্স ৯১, মিলার ৪৫; কামিন্স ২/৬১)।
অস্ট্রেলিয়া : ৪৯ ওভারে ২৬৮/৭ (স্মিথ ১০৪, ওয়েড ৫২, ফকনার ৩৪*; স্টেইন ২/৪৭, পারনেল ২/৫২)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয়ী।ম্যান অব দ্য ম্যাচ : স্টিভেন স্মিথ।
পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ২১ বছরের ওই অতৃপ্তি তারা কাল ঘুচিয়েছে ৩ উইকেটের
রোমাঞ্চকর জয়ে। তাতে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ৩-১-এ এগিয়ে যাওয়ায় সিরিজ জয়ও
নিশ্চিত হয়ে গেছে জর্জ বেইলির দলের। অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের অতৃপ্তি
মেটানো এ জয়ের নায়ক সেই স্টিভেন স্মিথ। ক্যানবেরার তৃতীয় ম্যাচে ৫৫ বলে ৭৩
রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পর কাল তিনি করেছেন ম্যাচ জেতানো ঝলমলে
সেঞ্চুরি। তাঁর অনবদ্য ইনিংসটাতে ভর করেই ৯৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও ৬ বল
ও ৩ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে স্বাগতিকরা।মেলবোর্নে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার মিশনে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে
হোঁচট খেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ৭৭ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর ডেভিড
মিলারকে নিয়ে শতরানের একটি পার্টনারশিপ গড়ে দলকে সঠিক কক্ষপথে ফেরান এবি ডি
ভিলিয়ার্স। মাত্র ৯ রানের জন্য তিন অঙ্কের জাদুকরী স্কোর ছোঁয়া হয়নি
প্রোটিয়া অধিনায়কের। ৪৩ ওভারের শেষ বলে প্যাট কামিন্স তাঁকে আউট করার পর শেষ ৭ ওভারে আর মাত্র ৩৭ রান নিতে পেরেছে তারা।জবাব দিতে নেমে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়াও। একপর্যায়ে ৯৮
রানে তারা হারায় পঞ্চম উইকেট। দলের ওই বিপর্যয়ে ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে
এক-দুই রানে ইনিংসের ইমারত গড়ে প্রায় হারতে বসা ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে জয়
এনে দিয়েছেন স্মিথ। ষষ্ঠ উইকেটে ম্যাথু ওয়েডের সঙ্গে ১২১ রান যোগ করার পর
জেমস ফকনারকে নিয়ে দলকে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে দিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। রবিন
পিটারসনের ঘূর্ণিতে তাঁর স্টাম্প উড়ে যাওয়ার সময় জয় থেকে মাত্র ১ রান দূরে
ছিল স্বাগতিকরা। পিটারসনের ডেলিভারিতে সেই রানটি এনে দিয়েছেন কামিন্স।
ক্রিকইনফো
দক্ষিণ আফ্রিকা : ৫০ ওভারে ২৬৭/৮ (ডি ভিলিয়ার্স ৯১, মিলার ৪৫; কামিন্স ২/৬১)।
অস্ট্রেলিয়া : ৪৯ ওভারে ২৬৮/৭ (স্মিথ ১০৪, ওয়েড ৫২, ফকনার ৩৪*; স্টেইন ২/৪৭, পারনেল ২/৫২)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয়ী।ম্যান অব দ্য ম্যাচ : স্টিভেন স্মিথ।



























